বিডি নিউজ ৬৪: ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলায় গতকাল রাতে নতুন করে আবার সংখ্যালঘুদের ঘরবাড়িতে হামলার ঘটনার খবর পাওয়া গেছে। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার নাসিরনগর উপজেলার হিন্দু সম্প্রদায় অধ্যুষিত তিনটি এলাকার কয়েকটি বাড়িতে অগ্নিসংযোগ করেছে দুর্বৃত্তরা।
গতকাল বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত তিনটার দিকে এ ঘটনা ঘটে। এর আগে রোববার নাসিরনগরে ১৫টি মন্দির ও ৬০-৭০টি হিন্দু বাড়িঘরে ভাঙচুর ও লুটপাট চালায় দুর্বৃত্তরা।
উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক হরিপদ পোদ্দার কালের কণ্ঠকে বলেছেন, ভোররাতে পাঁচটি বাড়ি ও একটি ব্যক্তিগত মন্দিরে দূর্বুত্তরা আগুন দিয়েছে।
স্থানীয় লোকজন, প্রশাসন ও পুলিশ বলছে, উপজেলা সদরের নমশুদ্রপাড়ার পশ্চিম দিকের ফুলকিশোর সরকারের গোয়ালঘর, পাশের খোকন বিশ্বাসের রান্নাঘর, বণিকপাড়ার অমর দেবের রান্নাঘর ও বসদতঘরের কিছু অংশ, শিলপাড়ার কেশব চক্রবর্তীর রান্নাঘর ও বসতঘর, পশ্চিমপাড়ার জগন্নাথ মন্দিরের পাশের সাগর দাসের পুরাতন বাড়ির রান্নাঘর ও একটি বসতঘরে অগ্নিসংযোগ করা হয়েছে।
রাতেই স্থানীয় এলাকাবাসীর সহায়তায় আগুন নেভানো হয়। তবে কয়েকটি রান্নাঘর ও গোয়ালঘর পুরোপুরি পুড়ে গেছে। প্রাথমিকভাবে কেউ হতাহত হওয়ার খবর পাওয়া যায়নি।
আজ শুক্রবার সকালে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন নাসিরনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) চৌধুরী মোয়াজ্জেম আহমেদ। তাঁর ভাষ্য, আট থেকে ১০টি বসতঘর ও গোয়ালঘরে আগুন দেওয়া হয়েছে। সেগুলো ‘পরিত্যক্ত’ বলে তিনি জানান।
সদর সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার আব্দুল করিমের ভাষ্য, পাঁচটি বাড়িতে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। জড়িতদের খোঁজ করছে পুলিশ।
গতকাল বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত তিনটার দিকে এ ঘটনা ঘটে। এর আগে রোববার নাসিরনগরে ১৫টি মন্দির ও ৬০-৭০টি হিন্দু বাড়িঘরে ভাঙচুর ও লুটপাট চালায় দুর্বৃত্তরা।
উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক হরিপদ পোদ্দার কালের কণ্ঠকে বলেছেন, ভোররাতে পাঁচটি বাড়ি ও একটি ব্যক্তিগত মন্দিরে দূর্বুত্তরা আগুন দিয়েছে।
স্থানীয় লোকজন, প্রশাসন ও পুলিশ বলছে, উপজেলা সদরের নমশুদ্রপাড়ার পশ্চিম দিকের ফুলকিশোর সরকারের গোয়ালঘর, পাশের খোকন বিশ্বাসের রান্নাঘর, বণিকপাড়ার অমর দেবের রান্নাঘর ও বসদতঘরের কিছু অংশ, শিলপাড়ার কেশব চক্রবর্তীর রান্নাঘর ও বসতঘর, পশ্চিমপাড়ার জগন্নাথ মন্দিরের পাশের সাগর দাসের পুরাতন বাড়ির রান্নাঘর ও একটি বসতঘরে অগ্নিসংযোগ করা হয়েছে।
রাতেই স্থানীয় এলাকাবাসীর সহায়তায় আগুন নেভানো হয়। তবে কয়েকটি রান্নাঘর ও গোয়ালঘর পুরোপুরি পুড়ে গেছে। প্রাথমিকভাবে কেউ হতাহত হওয়ার খবর পাওয়া যায়নি।
আজ শুক্রবার সকালে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন নাসিরনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) চৌধুরী মোয়াজ্জেম আহমেদ। তাঁর ভাষ্য, আট থেকে ১০টি বসতঘর ও গোয়ালঘরে আগুন দেওয়া হয়েছে। সেগুলো ‘পরিত্যক্ত’ বলে তিনি জানান।
সদর সার্কেলের সহকারী পুলিশ সুপার আব্দুল করিমের ভাষ্য, পাঁচটি বাড়িতে অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। জড়িতদের খোঁজ করছে পুলিশ।
bdnews64 বাংলাভাষায় প্রকাশিত দেশের সর্ববৃহৎ সংবাদ পোর্টাল