বিডি নিউজ ৬৪: সন্ত্রাস-জমিঙ্গবাদ দমন ও মানবাধিকার রক্ষায় বাংলাদেশ সরকার জিরো টলারেন্স নীতি নিয়েছে। তবে এক্ষেত্রে আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক পর্যায়ে পারস্পারিক সহযোগিতা প্রয়োজন। সেই সহযোগিতা নিশ্চিত করতে সম্মিলিত পদক্ষেপ নিতে হবে। সুইজারল্যান্ডের রাজধানী জেনেভায় চলা ইন্টার পার্লামেন্টারি ইউনিয়নের (আইপিইউ) ১৩৫তম সম্মেলনে সাধারণ আলোচনা পর্বে বাংলাদেশ প্রতিনিধি দলের পক্ষ থেকে এই বক্তব্য তুলে ধরা হয়। আজ বুধবার সংসদ সচিবালয়ের পক্ষ থেকে পাঠানো এক প্রেসবিজ্ঞপ্তি এ তথ্য জানানো হয়েছে।
এর আগে গতকাল মঙ্গলবার রাতে বাংলাদেশ সংসদীয় প্রতিনিধি দলের নেতা ডেপুটি স্পিকার মো. ফজলে রাব্বী মিয়া এই আলোচনায় অংশ নেন।
আলোচনায় অংশ নিয়ে ডেপুটি স্পিকার সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে বাংলাদেশের দৃঢ় অবস্থানের কথা তুলে ধরে বলেন, বাংলাদেশ যে কোন ধরনের সন্ত্রাস, জঙ্গিবাদ, মানবতা বিরোধী অপরাধ, মানবাধিকার লংঘনের বিপক্ষে। এ সকল সমস্যা মোকাবেলায় বাংলাদেশ সরকার আঞ্চলিক ও আন্তর্জাতিক পারস্পরিক সহযোগিতায় বিশ্বাস করে।
তিনি আরো বলেন, সন্ত্রাস দমনে বাংলাদেশ জিরো টলারেন্স নীতিতে বিশ্বাসী। আর গণহত্যা, যুদ্ধাপরাধ, মানবতাবিরেধী অপরাধ প্রতিরোধ করা রাষ্ট্রের প্রাথমিক দায়িত্ব বলেও বাংলাদেশ বিশ্বাস করে।
এ সময় আইপিইউকে বিশ্বের বিভিন্ন দেশের পার্লামেন্ট, সরকার এবং বেসরকারকারী সংস্থার মাধ্যমে নারীর প্রতি সকল প্রকার সহিংসতার বিরুদ্ধে জনমত গড়ে তোলার গুরুত্বারোপ করেন ডেপুটি স্পিকার ফজলে রাব্বী মিয়া। তিনি আইপিইউকে সকল ধরনের মানবাধিকার লংঘন রোধ কারার উপায় বের করার জন্য বিশ্বের বিভিন্ন দেশের পার্লামেন্ট নিয়ে একটি প্ল্যাটফর্ম তৈরি করার আহ্বান জানান।
সম্মেলনে বিরোধী দলীয় নেতা রওশন এরশাদ, চিফ হুইপ আ স ম ফিরোজ, হুইপ মো. আতিউর রহমান আতিক, অনুমিত হিসাব সম্পকিৃত স্থায়ী কমিটির সভাপতি আব্দুল মতিন খসরু, পরিকল্পনা মন্ত্রণালয সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি আবুল কালাম আজাদ, রেল মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি এবিএম ফজলে করিম চৌধুরীসহ প্রতিনিধিদলের অন্যান্য সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
bdnews64 বাংলাভাষায় প্রকাশিত দেশের সর্ববৃহৎ সংবাদ পোর্টাল