কর্মীদের প্রতি বাজে আচরণ তাদেরও একই কাজে উৎসাহিত করে
কর্মীদের প্রতি বাজে আচরণ তাদেরও একই কাজে উৎসাহিত করে

কর্মীদের প্রতি বাজে আচরণ তাদেরও একই কাজে উৎসাহিত করে

বিডি নিউজ ৬৪: কর্মক্ষেত্রে অশোভন ব্যবহার, তীব্র ব্যঙ্গপূর্ণ আচরণ এবং বিরূপ মন্তব্যের কারণে ব্যাপক নেতিবাচক প্রভাব পরে কর্মপরিবেশে। ইউনিভার্সিটি অব আর্কানসাসের নতুন এক গবেষণায় এ কথা বলা হয়।

গবেষকরা জানান, কোনো কর্মী যখন বাজে আচরণের শিকার হন তখন তিনি আত্মনিয়ন্ত্রণ হারান। বিনিময়ে একই আচরণ করেন।

আবার কটূক্তি, হয়রানি এবং হুমকি আরো বেশি মারাত্মক প্রভাব ফেলে। কর্মক্ষেত্র এবং অন্যান্য কর্মীদের মাঝেও ঝামেলার সৃষ্টি হয় এতে।

প্রধান গবেষক ক্রিস রোজেন বলেন, এই অবস্থার কারণে প্রতিষ্ঠানগুলোকেও লোকসান গুনতে হয়। বিগত দুই যুগে অফিসে অশোভন ব্যবহারের হার  দ্বিগুন বেড়েছে। কর্মীদের উৎপাদনশীলতা কমে আসে। ফলে প্রতিবছর এ কারণেই ১৪ হাজার ডলার ক্ষতি হয়ে যায় প্রতিষ্ঠানের।

এ গবেষণায় ৭০ জন কর্মীকে দিনে ৩ বার পর্যবেক্ষণ করা হয়। টানা ১০ দিন তাদের পর্যবেক্ষণে রাখা হয়। অংশগ্রহণকারীরা বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন। তাদের আরো কিছু কাজ দেওয়া হয় যা পারফরমেন্সের সঙ্গে যুক্ত। এসব পরীক্ষা থেকে গবেষকরা কর্মক্ষেত্রে অশোভন ব্যবহারের প্রভাব বোঝার চেষ্টা করেন।

খারাপ ব্যবহারের কারণে কর্মীরা অবসাদে আক্রান্ত হন। এতে কর্মীরা আত্মবিশ্বাস হারান। তাদের আচরণও একই ধরনের হতে থাকে। এমন আচরণ ক্রমেই নিজের অজান্তে চলে আসে এবং নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠান সংস্কৃতি তৈরি করে। এক সময় কর্মী এবং প্রতিষ্ঠানের ভালো জন্যই এমন করা হচ্ছে বলে প্রতিষ্ঠা পায়।

প্রতিষ্ঠানে এমব সংক্রামক ব্যাধীর মতো প্রতিদিন ছড়িয়ে পড়তে থাকে। এটা রাজনীতিতে পরিণত হয়। এ অবস্থা নিয়ন্ত্রণে কর্মীদের আচরণ সামলে নেওয়ার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা। কর্মীদের সহযোগী হয়ে উঠতে হবে। এই প্রক্রিয়া চলতে থাকলে দিন দিন পরিবেশ পাল্টে যাবে। কমীদের পারফরমেন্সও বৃদ্ধি পাবে।

জার্নাল অব অ্যাপ্লাইড সাইকোলজি’তে গবেষণাপত্রটি প্রকাশিত হয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *