চাকরিতে বেতন কত বলবেন না?
চাকরিতে বেতন কত বলবেন না?

চাকরিতে বেতন কত বলবেন না?

বিডি নিউজ ৬৪: ইন্টারভিউয়ে বসে প্রশ্নকর্তাদের থেকে নানা ধরনের প্রশ্ন ছুটে আসতে পারে। সহজ, কঠিন বা বিচিত্র প্রশ্নের সম্মুখীন হবেন। এর মধ্যে সবচেয়ে অস্বস্তিকর প্রশ্নটি হলো, আপনি কত বেতন চান? কিংবা হতে পারে, বর্তমান চাকরিতে কত বেতন পাচ্ছেন?
ইন্টারভিউয়ে এ প্রশ্নটি শুধু তথ্য পাওয়ার জন্যই জিজ্ঞাসা করা হয়, তা নয়। আপনার প্রতিক্রিয়া কতটা স্মার্ট তাও দেখতে চান প্রশ্নকর্তারা। এমন অনেক অস্বস্তিকর প্রশ্নের জবাব হয়তো চটজলদিই দিতে পারেন। তেমনিভাবে এ প্রশ্নের জবাব দিতেও প্রস্তুতি রাখতে হবে। বর্তমান চাকরিতে কত উপার্জন করছেন, আরো কত চান ইত্যাদি বিষয়ে স্পষ্ট জবাব দেওয়া উচিত।
ব্যক্তিগত অর্থব্যবস্থাপনাবিষয়ক বেস্টসেলিং বইয়ের লেখক, বিশেষজ্ঞ ও শিক্ষক রমিত শেঠি পরামর্শ নিয়ে এগিয়ে এসেছেন। ‘দ্য টিম ফেরিস শো’র সাম্প্রতিক এক পোডকাস্টে রমিতের বেশ কিছু পরামর্শ তুলে ধরেন ফেরিস। এই পোডকাস্ট সেলিব্রেটি পরামর্শগুলো ‘ক্রিয়েটিভলাইভ’ নামের এক অনলাইন ক্লাসেও প্রকাশ করেন।
বিশেষজ্ঞের মতে, চাকরিদাতারা এ প্রশ্নের সরাসরি জবাব আশা করেন। জবাব মিলে গেলে প্রস্তাবের বিপরীতে নিজেদের মতামত আবার সরাসরি দিতে চান না। কারণ, বর্তমানে যা কামাচ্ছেন তার চেয়েও বেশি দিতে হয়তো তাঁরা প্রস্তুত। যখন বর্তমান চাকরির বেতনের কথা বলে দেবেন, তখন আর বেশি দিতে চাইবে না কর্তৃপক্ষ। আবার এ প্রশ্নের জবাবে খুব বেশি নেতিবাচক কথা বললে তাঁরা আপনার প্রতি বিরক্ত হবেন। এটা করা মোটেও উচিত নয়। এর জবাব দিতে রাজনীতিবিদ বা কূটনীতিকদের মতো কৌশলী হতে হবে। আগে থেকেই জবাবটি প্রস্তুত করে রাখুন।
বিশেষজ্ঞের মতে, বেতন নির্ধারণের আলোচনা ততক্ষণ পর্যন্ত আটকে রাখতে হবে যতক্ষণ না তাঁরা চাকরির প্রস্তাব দিচ্ছেন আপনাকে। প্রার্থী হিসেবে আপনাকে বাছাই করার পর বেতনের বিষয় নিয়ে খোলামেলা আলোচনা করতে পারেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *