বিডি নিউজ ৬৪: এমন অনেক কর্মী আছেন যারা কর্মস্থলে কাজের সময় গান শুনতে ভালোবাসেন। এমনকি তাদেরকে যদি স্বাধীনতা দেওয়া হয় তাহলে তারা অতি উচ্চ আওয়াজে স্পিকার ফাটিয়ে গান শুনবেন।
যারা কাজের সময় গান শুনতে পছন্দ করেন তারা বলেন যে, এতে তাদের কর্ম উৎপাদনশীলতা বাড়ে। তবে এমন আরো কিছু লোক আছেন যারা গান শুনতে গেলে কাজে মনোযোগ দিতে পারেন না। এমনকি তারা সহকর্মীদের গান শোনার বিষয়টিও সহ্য করতে পারেন না।
আসুন দেখে নেওয়া যাক এ ব্যাপারে বিজ্ঞান কী বলে:
১. অনেকের জন্য গান শোনা খুবই গুরুত্বপূর্ণ
অনেকেই কর্মস্থলে গান শুনতে খুবই পছন্দ করেন। তারা বলেন, অফিসের কোলাহোল যেন তাদের মনোযোগ নষ্ট করতে না পারে সেজন্যই তারা গান শোনেন। এছাড়া মেজাজ মর্জি ভালো রাখা এবং আভ্যন্তরীণ চিন্তার প্রক্রিয়া নির্বিঘ্ন রাখার ক্ষেত্রেও গান বেশ সহায়ক ভুমিকা পালন করে। আর ক্লান্তিকর কাজকর্মে গান তাদেরকে সঙ্গ দেয় এবং উৎসাহ-উদ্দীপনাও যোগায়।
তবে, সকলেই এমনটা অনুভব করেন না। অনেকেই মনে করেন, গান তাদের কাজে মনোযোগের ব্যাঘাত ঘটায়। বিশেষ করে যখন বিশেষ চাহিদাপূর্ণ কাজ করা হয় তখন গান তাদের মনোযোগ নষ্ট করে। তবে হেডফোনের ব্যবহার এই গ্রুপগুলোর মধ্যে একটি সমন্বয় সাধন করতে পারে। যারা কাজের সময় গান শুনতে পছন্দ করেন তারা যদি হেডফোন ব্যবহার করেন তাহলে সকলেই শান্তিতে কাজ করতে পারবেন।
২. গান কাজে মনোযোগের বাধাগুলো দূর করে
সঙ্গীত নিজেই কাজে মনোযোগের ক্ষেত্রে একটি বাধা স্বরুপ। তা সত্ত্বেও সঙ্গীত কাজে মনোযোগের বাধাগুলো সীমিত ও সহজ করে আনতে এবং বাধাগুলোর সুব্যবস্থাপনা করতে সক্ষম।
আর যে কর্মস্থলের পরিবেশ কিছুটা ব্যস্ত, গোলমেলে বা কোনোভাবে বিশৃঙ্খল সেখানে একটুখানি সঙ্গীত সার্বিকভাবে অনেক শীতল আবহ ছড়িয়ে দিতে সক্ষম। তবে শান্ত এবং নীরব কর্মপরিবেশে হয়তো গান তেমন কোনো ভুমিকা রাখতে পারবে না।
কর্মক্ষেত্রে মনোযোগের এই বাধাগুলো ব্যক্তিভেদে ভিন্নভাবে অনুভূত হয়। সুতরাং আপনি যে বিশেষ পরিবেশে কাজ করেন সেখানে আপনার জন্য সেরাটা কী হবে তা বুঝার জন্য আপনাকে নিজের অফিস এবং নিজের সম্পর্কে ভালোভাবে জানতে হবে।
৩. সুখি সঙ্গীত লোককে আরো বেশি সহযোগীতামূলক করে সম্প্রতি গবেষকরা ১৮৮ জন স্নাতক শিক্ষার্থীর ওপর একটি গবেষণা চালান। কী করে ভিন্ন ধরনের সঙ্গীত শুনে লোকে সহযোগিতামূলক এবং স্বার্থপর আচরণ করে গবেষণায় তা পর্যবেক্ষণ করা হয়।
ওই গবেষণায় দেখা গেছে, লোকে যখন সুখি সঙ্গীত শোনেন তখন তারা পুরো গ্রুপের জন্য উপকারি ধরনের আচরণ করার প্রবণতা প্রদর্শন করেন। অর্থাৎ সুখি সঙ্গীত তাদেরকে অনেক বেশি সহযোগিতামূলক করে তোলে। আর কোনো সঙ্গীত না শুনলে বা অসুখি গান শোনার ফলে এর উল্টো প্রভাব পড়ে।
৪. গান আবেগকে আলোড়িত করে, সুতরাং সতর্কতার সঙ্গে বাছাই করুন
হেডফোন লাগিয়ে একা একা শোনা আর সকলকে শেনানোর জন্য জোরে গান বাজানো উভয় ক্ষেত্রেই গান বাছাই করার সময় সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। কারণ গান মানুষের মেজাজ-মর্জি এবং আচরণকে প্রভাবিত করে। এছাড়া আমাদের মস্তিষ্ক সঙ্গীতকে আবেগগতভাবে প্রক্রিয়াজাতকরন করে।
দ্রুত-বিন্যস্ত সঙ্গীত বা সুর লোককে একটু দ্রুত গতিতেই শ্বাস নিতে বাধ্য করে। যা সুখের একটি শারীবৃত্তীয় নির্দেশক। বিপরীতক্রমেও একই জিনিস সত্য। ধীর গতির বা মনমরা সঙ্গীত লোকের মেজাজ মর্জির অবনমন ঘটাতে পারে। সুতরাং অফিসে বাজানোর সময় সতর্কতার সঙ্গেই গান বাছাই করুন।
যারা কাজের সময় গান শুনতে পছন্দ করেন তারা বলেন যে, এতে তাদের কর্ম উৎপাদনশীলতা বাড়ে। তবে এমন আরো কিছু লোক আছেন যারা গান শুনতে গেলে কাজে মনোযোগ দিতে পারেন না। এমনকি তারা সহকর্মীদের গান শোনার বিষয়টিও সহ্য করতে পারেন না।
আসুন দেখে নেওয়া যাক এ ব্যাপারে বিজ্ঞান কী বলে:
১. অনেকের জন্য গান শোনা খুবই গুরুত্বপূর্ণ
অনেকেই কর্মস্থলে গান শুনতে খুবই পছন্দ করেন। তারা বলেন, অফিসের কোলাহোল যেন তাদের মনোযোগ নষ্ট করতে না পারে সেজন্যই তারা গান শোনেন। এছাড়া মেজাজ মর্জি ভালো রাখা এবং আভ্যন্তরীণ চিন্তার প্রক্রিয়া নির্বিঘ্ন রাখার ক্ষেত্রেও গান বেশ সহায়ক ভুমিকা পালন করে। আর ক্লান্তিকর কাজকর্মে গান তাদেরকে সঙ্গ দেয় এবং উৎসাহ-উদ্দীপনাও যোগায়।
তবে, সকলেই এমনটা অনুভব করেন না। অনেকেই মনে করেন, গান তাদের কাজে মনোযোগের ব্যাঘাত ঘটায়। বিশেষ করে যখন বিশেষ চাহিদাপূর্ণ কাজ করা হয় তখন গান তাদের মনোযোগ নষ্ট করে। তবে হেডফোনের ব্যবহার এই গ্রুপগুলোর মধ্যে একটি সমন্বয় সাধন করতে পারে। যারা কাজের সময় গান শুনতে পছন্দ করেন তারা যদি হেডফোন ব্যবহার করেন তাহলে সকলেই শান্তিতে কাজ করতে পারবেন।
২. গান কাজে মনোযোগের বাধাগুলো দূর করে
সঙ্গীত নিজেই কাজে মনোযোগের ক্ষেত্রে একটি বাধা স্বরুপ। তা সত্ত্বেও সঙ্গীত কাজে মনোযোগের বাধাগুলো সীমিত ও সহজ করে আনতে এবং বাধাগুলোর সুব্যবস্থাপনা করতে সক্ষম।
আর যে কর্মস্থলের পরিবেশ কিছুটা ব্যস্ত, গোলমেলে বা কোনোভাবে বিশৃঙ্খল সেখানে একটুখানি সঙ্গীত সার্বিকভাবে অনেক শীতল আবহ ছড়িয়ে দিতে সক্ষম। তবে শান্ত এবং নীরব কর্মপরিবেশে হয়তো গান তেমন কোনো ভুমিকা রাখতে পারবে না।
কর্মক্ষেত্রে মনোযোগের এই বাধাগুলো ব্যক্তিভেদে ভিন্নভাবে অনুভূত হয়। সুতরাং আপনি যে বিশেষ পরিবেশে কাজ করেন সেখানে আপনার জন্য সেরাটা কী হবে তা বুঝার জন্য আপনাকে নিজের অফিস এবং নিজের সম্পর্কে ভালোভাবে জানতে হবে।
৩. সুখি সঙ্গীত লোককে আরো বেশি সহযোগীতামূলক করে সম্প্রতি গবেষকরা ১৮৮ জন স্নাতক শিক্ষার্থীর ওপর একটি গবেষণা চালান। কী করে ভিন্ন ধরনের সঙ্গীত শুনে লোকে সহযোগিতামূলক এবং স্বার্থপর আচরণ করে গবেষণায় তা পর্যবেক্ষণ করা হয়।
ওই গবেষণায় দেখা গেছে, লোকে যখন সুখি সঙ্গীত শোনেন তখন তারা পুরো গ্রুপের জন্য উপকারি ধরনের আচরণ করার প্রবণতা প্রদর্শন করেন। অর্থাৎ সুখি সঙ্গীত তাদেরকে অনেক বেশি সহযোগিতামূলক করে তোলে। আর কোনো সঙ্গীত না শুনলে বা অসুখি গান শোনার ফলে এর উল্টো প্রভাব পড়ে।
৪. গান আবেগকে আলোড়িত করে, সুতরাং সতর্কতার সঙ্গে বাছাই করুন
হেডফোন লাগিয়ে একা একা শোনা আর সকলকে শেনানোর জন্য জোরে গান বাজানো উভয় ক্ষেত্রেই গান বাছাই করার সময় সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে। কারণ গান মানুষের মেজাজ-মর্জি এবং আচরণকে প্রভাবিত করে। এছাড়া আমাদের মস্তিষ্ক সঙ্গীতকে আবেগগতভাবে প্রক্রিয়াজাতকরন করে।
দ্রুত-বিন্যস্ত সঙ্গীত বা সুর লোককে একটু দ্রুত গতিতেই শ্বাস নিতে বাধ্য করে। যা সুখের একটি শারীবৃত্তীয় নির্দেশক। বিপরীতক্রমেও একই জিনিস সত্য। ধীর গতির বা মনমরা সঙ্গীত লোকের মেজাজ মর্জির অবনমন ঘটাতে পারে। সুতরাং অফিসে বাজানোর সময় সতর্কতার সঙ্গেই গান বাছাই করুন।
bdnews64 বাংলাভাষায় প্রকাশিত দেশের সর্ববৃহৎ সংবাদ পোর্টাল