বিডি নিউজ ৬৪: অনেকটা স্বস্তিতে বাংলাদেশ। ‘নিও জেএমবি’র প্রধান তামিম চৌধুরীর মৃতদেহ চিনে ফেলতেই স্বস্তির নিশ্বাস ফেলেছিল পুলিশ, প্রশাসন। গত দু’বছরের বেশি বাংলাদেশে একের পর এক নাশকতার মূল মস্তিষ্ক, মূল পৃষ্ঠপোষক ছিল এই তামিম। শনিবার সকালে যৌথবাহিনীর হাতে দুই সঙ্গী-সহ তামিমের মৃত্যুর সঙ্গে সঙ্গে একটা কালো অধ্যায়ের সম্ভবত শেষ হল। এই স্বস্তিতেই বাংলাদেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী যেমন বলেছেন- ‘তামিম চৌধুরী চ্যাপ্টারের শেষ’, তেমনই হাঁফ ছেড়েছেন শান্তিপ্রিয় সাধারণ মানুষ।
২০১৩ সালে শাহবাগে গণজাগরণের শুরুতেই খুন হয়েছিলেন নাস্তিক ব্লগার রাজীব হায়দার। তার পরে একের পরে এক হত্যাকান্ড। চাপাতির কোপে খুন হতে থাকলেন ব্লগার লেখক, পুরোহিত, পির, বিদেশি নাগরিক, যাজক। শেষে বড়সড় হামলা হল গুলশনের হোলি আর্টিজান বেকারিতে। সেই হামলা গোটা দুনিয়ার সংবাদমাধ্যমে শিরোনাম হয়। কয়েক দিন পরেই শোলাকিয়াতে ইদের নামাজের মাঠে ফের হামলা। এই হামলা নিজেদের দুই সদস্যের জীবন দিয়ে রুখে দেয় বাংলাদেশের পুলিশ। এই সব ঘটনারই পিছনে ছিল জেএমবির একটি ধারা, যা ‘নিও জেএমবি’ নামে পরিচিত। ছিল আনসারউল্লাহ বাংলা টিম বা আনসার।
গুলশন হামলা আর শোলাকিয়ার ঘটনার পরেই অনেক বেশি নড়েচড়ে বসে বাংলাদেশ। আরও কঠোর হয়ে যায় সন্ত্রাসবাদীদের প্রতি মনোভাব। ফলে অল্প দিনেই বদলে যায় পরিস্থিতি। পরপর শিরোনাম হতে থাকে পুলিশ বাহিনীর সাফল্য। কল্যাণপুরে খতম হল নয় জঙ্গি। সারাদেশে পুলিশের অভিযানের প্রেক্ষিতে ঘটে বেশ কয়েকটা এনকাউন্টার। সেখানেও খতম হয় বেশ কয়েকজন জঙ্গি। ধরাও পড়তে থাকে অনেকে।
গত কয়েক মাস ধরেই এই জঙ্গিদের মাস্টারমাইন্ড হিসাবে আলোচনায় আসছিল কয়েকটি নাম। এর মধ্যে অন্যতম তামিম চৌধুরী। সেই তামিম চৌধুরী শনিবার নিজের আস্তানায় খতম হয়েছে। নারায়ণগঞ্জের পাইকপাড়া কবরস্থানের পাশের তিনতলা বাড়িটি ঘিরে পুলিশের এই অভিযানের নাম ‘অপারেশন হিট স্ট্রং টোয়েন্টি সেভেন’। এই অপারেশনের শেষে বাংলাদেশের পুলিশ প্রধান একেএম শহিদুল হক সংবাদমাধ্যমকে বলেন, “অপারেশন শেষে আমরা ভেতরে ঢুকে দেখতে পাই তিনজন জঙ্গি নিহত হয়েছে। এদের মধ্যে একজনের চেহারা তামিম চৌধুরীর যে ছবি আমাদের কাছে আছে তার সঙ্গে হুবহু মিলে যাচ্ছে। এতে স্পষ্ট সে তামিম চৌধুরীই হবে।”
বাংলাদেশের জঙ্গিদের নিয়ে যাঁরা গবেষণা করছেন, তাঁরা তামিম চৌধুরীর খতমকে একটি বড় ঘটনা হিসাবেই দেখছেন। তাঁদের মতে, গত দু’বছরে যে ভয়ের সংস্কৃতি জঙ্গিরা তৈরি করেছিল, এই সাফল্য সেই ভয়কে জয় করার পথে বড় পদক্ষেপ। তবে তামিম চৌধুরী যদি একটা অধ্যায়ের শেষ হয়, তার শুরুটা খুঁজতে গেলে এক দশক পিছিয়ে যেতে হবে।
২০১৩ সালে শাহবাগে গণজাগরণের শুরুতেই খুন হয়েছিলেন নাস্তিক ব্লগার রাজীব হায়দার। তার পরে একের পরে এক হত্যাকান্ড। চাপাতির কোপে খুন হতে থাকলেন ব্লগার লেখক, পুরোহিত, পির, বিদেশি নাগরিক, যাজক। শেষে বড়সড় হামলা হল গুলশনের হোলি আর্টিজান বেকারিতে। সেই হামলা গোটা দুনিয়ার সংবাদমাধ্যমে শিরোনাম হয়। কয়েক দিন পরেই শোলাকিয়াতে ইদের নামাজের মাঠে ফের হামলা। এই হামলা নিজেদের দুই সদস্যের জীবন দিয়ে রুখে দেয় বাংলাদেশের পুলিশ। এই সব ঘটনারই পিছনে ছিল জেএমবির একটি ধারা, যা ‘নিও জেএমবি’ নামে পরিচিত। ছিল আনসারউল্লাহ বাংলা টিম বা আনসার।
গুলশন হামলা আর শোলাকিয়ার ঘটনার পরেই অনেক বেশি নড়েচড়ে বসে বাংলাদেশ। আরও কঠোর হয়ে যায় সন্ত্রাসবাদীদের প্রতি মনোভাব। ফলে অল্প দিনেই বদলে যায় পরিস্থিতি। পরপর শিরোনাম হতে থাকে পুলিশ বাহিনীর সাফল্য। কল্যাণপুরে খতম হল নয় জঙ্গি। সারাদেশে পুলিশের অভিযানের প্রেক্ষিতে ঘটে বেশ কয়েকটা এনকাউন্টার। সেখানেও খতম হয় বেশ কয়েকজন জঙ্গি। ধরাও পড়তে থাকে অনেকে।
গত কয়েক মাস ধরেই এই জঙ্গিদের মাস্টারমাইন্ড হিসাবে আলোচনায় আসছিল কয়েকটি নাম। এর মধ্যে অন্যতম তামিম চৌধুরী। সেই তামিম চৌধুরী শনিবার নিজের আস্তানায় খতম হয়েছে। নারায়ণগঞ্জের পাইকপাড়া কবরস্থানের পাশের তিনতলা বাড়িটি ঘিরে পুলিশের এই অভিযানের নাম ‘অপারেশন হিট স্ট্রং টোয়েন্টি সেভেন’। এই অপারেশনের শেষে বাংলাদেশের পুলিশ প্রধান একেএম শহিদুল হক সংবাদমাধ্যমকে বলেন, “অপারেশন শেষে আমরা ভেতরে ঢুকে দেখতে পাই তিনজন জঙ্গি নিহত হয়েছে। এদের মধ্যে একজনের চেহারা তামিম চৌধুরীর যে ছবি আমাদের কাছে আছে তার সঙ্গে হুবহু মিলে যাচ্ছে। এতে স্পষ্ট সে তামিম চৌধুরীই হবে।”
বাংলাদেশের জঙ্গিদের নিয়ে যাঁরা গবেষণা করছেন, তাঁরা তামিম চৌধুরীর খতমকে একটি বড় ঘটনা হিসাবেই দেখছেন। তাঁদের মতে, গত দু’বছরে যে ভয়ের সংস্কৃতি জঙ্গিরা তৈরি করেছিল, এই সাফল্য সেই ভয়কে জয় করার পথে বড় পদক্ষেপ। তবে তামিম চৌধুরী যদি একটা অধ্যায়ের শেষ হয়, তার শুরুটা খুঁজতে গেলে এক দশক পিছিয়ে যেতে হবে।
bdnews64 বাংলাভাষায় প্রকাশিত দেশের সর্ববৃহৎ সংবাদ পোর্টাল