বিডি নিউজ ৬৪: গণহারে কারাদণ্ডাদেশ নিয়ে জাতীয় পর্যায়ে তীব্র বাকবিতণ্ডা চলছে যুক্তরাষ্ট্রে। এর মধ্যেই একটি প্রতিবেদনে উঠে এসেছে দেশটির জনগোষ্ঠীর একটি বিশাল অংশ- নারীদের ব্যাপারে ঠিকমতো নজর দেওয়া হচ্ছে না।
প্রতিবেদেনে বলা হয়, যুক্তরাষ্ট্রের স্থানীয় জেলখানাগুলোতে নারী বন্দিদের সংখ্যা গত চার দশকে আকাশচুম্বীহারে বেড়েছে। ১৯৭০ এর দশকের চেয়ে এখন যুক্তরাষ্ট্রের জেলখানাগুলোতে চারগুণ বেশি সংখ্যক নারী বন্দি রয়েছেন। বুধবার দেশটির ভারা ইনস্টিটিউট অফ জাস্টিস এবং ম্যাক আর্থার ফাউন্ডেশন্স সেফটি অ্যান্ড জাস্টিস চ্যালেঞ্জ যৌথভাবে প্রতিবেদনটি প্রকাশ করে।
যুক্তরাষ্ট্রের জেলখানাগুলোতে এখন ৭ লাখ ৪৫ হাজার বন্দি রয়েছে। এর মধ্যে ১ লাখ ১০ হাজার জন নারী।
প্রতিবেদন বলা হয়, নারী বন্দির সংখ্যা যে হারে বাড়ছে তা খুবই ভীতিকর। কিন্তু নারীদেরকে কেন বেশি বেশি হারে বন্দি করা হচ্ছে দেশটির ফৌজদারি বিচার ব্যবস্থায় তার সঠিক কারণ খুঁজে বের করার মতো কোনো গবেষণা হচ্ছে না। এমনকি এ সম্পর্কিত কোনো তথ্য-উপাত্তও সংগ্রহ বা সংরক্ষণ করা হচ্ছে না।
নারী বন্দিদের সম্পর্কে যতটুকু জানা যায় তা হলো এরা নিচু-মাত্রার, অহিংস অপরাধের জন্য অভিযুক্ত হয়েছেন। এ ছাড়া পুরুষ বন্দিদের তুলনায় এদের তেমন কোনো অপরাধমূলক অতীতও নেই। আর নারী বন্দিদের ৮০ শতাংশই আবার মা।
তবে দেশটির অপরাধ বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, নারী বন্দিদের প্রকৃত সংখ্যা আরো বেশি হবে। ফোর্ডহাম ল স্কুলের অধ্যাপক জন ফ্যাপ বলেন, প্রতিবেদেন যুক্তরাষ্ট্রের মোট বন্দির যে সংখ্যা সরবরাহ করা হয়েছে তা সম্ভবত এক বছরের মোট বন্দির সংখ্যার হিসাব। এতে প্রতিবছর যুক্তরাষ্ট্রের জেলখানাগুলোতে যে ১১ লাখ বন্দি প্রবেশের ঘটনা ঘটে তার উল্লেখ করা হয়নি। আর ১৯৭০ থেকে ২০১৪ সালের মধ্যে নারী বন্দির সংখ্যা তিনগুণ বাড়লেও বাড়তি বন্দিদের ৮৩ শতাংশই পুরুষ।
bdnews64 বাংলাভাষায় প্রকাশিত দেশের সর্ববৃহৎ সংবাদ পোর্টাল