বিডি নিউজ ৬৪: পুরোনো ইনজুরিতে নতুন করে ব্যথা পাওয়ার পর কাউন্টি খেলতে যাওয়া মোস্তাফিজুর রহমানের কাঁধে অস্ত্রোপচারের পরামর্শই দিয়েছিলেন লন্ডন ব্রিজ হাসপাতালের অধ্যাপক টনি কোচার। এমআরআইর দ্বিতীয় রিপোর্টে বড়সড় এক দুঃসংবাদ পান কাটার মাস্টার। রিপোর্টে বলা হয়, মোস্তাফিজের চোটটি টাইপ-২ শ্রেণির। যার পূর্ণ চিকিৎসা করা সম্ভব অস্ত্রোপচারের মাধ্যমেই।
মঙ্গলবার নতুন সার্জন লেনার্ড ফাঙ্কের দ্বারস্ত হন মোস্তাফিজ। উইগ্যান অ্যান্ড লি এনএইচএস ফাউন্ডেশনের রাইটিংটন হাসপাতালের সার্জন অধ্যাপক ফাঙ্কের পরামর্শ নিতে গতকাল মঙ্গলবার ল্যাংক্যাশায়ারের উইগ্যানে গিয়েছিলেন কাটার মাস্টার। মুস্তাফিজকে নিয়ে নতুন সার্জনের অভিমত, ২০ বছর বয়সী পেসারের বাঁ কাঁধে অস্ত্রোপচারের মাধ্যমেই চিকিৎসার কাজ সম্পন্ন করতে হবে। লন্ডন থেকে এমন তথ্যই নিশ্চিত করেছেন মোস্তাফিজের হোস্ট সেন্ট পিটার্স কলেজ অব লন্ডনের অধ্যক্ষ এজিএম সাব্বির।
বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) নির্দেশনায় মোস্তাফিজকে উইগ্যানে নিয়ে যাওয়া এজিএম সাব্বির জানান, ‘বিশেষজ্ঞদের মতামত পর্যালোচনা করে বিসিবি সিদ্ধান্ত নেবে কাকে দিয়ে মোস্তাফিজের কাঁধের অস্ত্রোপচার করানো হবে। বিসিবি যদি অধ্যাপক ফাঙ্ককে দিয়ে অস্ত্রোপচার করানোর সিদ্ধান্ত নেয়, তাহলে মোস্তাফিজকে বেশ কিছু দিন অপেক্ষা করতে হবে। কারণ তার অস্ত্রোপচারের জন্য ২২ অগাস্টের আগে কোনো স্লট দিতে পারছেন না এই সার্জন।’
কাঁধে অস্ত্রোপচার করাতে হবে জেনে চিন্তিত নন মোস্তাফিজ! তার মনোবল চাঙ্গাই আছে। আইপিএল মাতানো এই কাটার বয় চান, পূর্ণ ফিট হয়েই মাঠে ফিরতে। তবে দীর্ঘ সময় (৩ থেকে ছয় মাস) মাঠের বাইরে থাকাটা তাকে বিষণ্ন করে তুলছে। এজিএম সাব্বিরের ভাষায়, ‘মোফিজের মনোবল চাঙ্গা রয়েছে। সে ভালোভাবেই জানে যে, অস্ত্রোপচার করানোর পর সে পুরোপুরি ফিট হয়ে আবার মাঠে নামতে পারবে। তার পরেও মোস্তাফিজ যখন ভাবে যে অস্ত্রোপচার করানোর পর তিন থেকে ছয় মাস খেলতে পারবে না, তখন সে কিছুটা বিষন্ন হয়ে পড়ে। তবে সার্বিকভাবে মোস্তাফিজ বেশ ভালোই আছে।’
bdnews64 বাংলাভাষায় প্রকাশিত দেশের সর্ববৃহৎ সংবাদ পোর্টাল