বিডি নিউজ ৬৪: ক্রিকেটকে বিশ্বব্যাপী আরো জনপ্রিয় করে তুলতে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে বড় পরিবর্তন আনতে যাচ্ছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল (আইসিসি)। স্কটল্যান্ডের এডিনবরায় আইসিসির বার্ষিক সভায় সেসব বিষয় আলোচনা হবে। এর মধ্য দিয়ে যেসব পরিবর্তন আসতে পারে তা দেখে নেয়া যাক।
১. ওয়ানডে ক্রিকেটে তিন বছর মেয়াদী লিগের আয়োজন করা হতে পারে। ২০১৯ সাল থেকে ১৩ টি দল এই লিগ আয়োজন করা হবে। এই ওয়ানডে লিগের মাধ্যমেই নির্ধারিত হবে বিশ্বকাপে খেলবে কোন দলগুলো। লিগের পয়েন্ট তালিকায় সবার নিচে থাকা দলটির অবনমন হবে।
২. তিন বছরের লিগের পর এক বছর থাকবে ওয়ানডে বিশ্বকাপের প্রস্তুতির জন্য। তবে এই লিগ শুরু হলে চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফি বাদে পড়তে পারে। ২০১৭ সালে ইংল্যান্ডে অনুষ্ঠেয় আসরটি চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির শেষ আসর হতে পারে।
৩. চার বছর পরপর টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ আয়োজনের যে সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছিল, সেখান থেকে সরে এসে আইসিসি দুই বছর পরপর এই বিশ্বকাপের আয়োজন করতে পারে।
৪. টেস্ট ক্রিকেটকে দুটি স্তরে ভাগ করা হবে। প্রথম স্তরে থাকবে বর্তমান র্যাঙ্কিংয়ের শীর্ষ সাতটি দল। দ্বিতীয় স্তরে দল থাকবে পাঁচটি। বর্তমান টেস্ট খেলুড়ে ১০টি দেশের বাইরে আফগানিস্তান ও আয়ারল্যান্ড খেলার সুযোগ পেতে পারে।
৫. লিগ পদ্ধতিতে দুটি স্তরের দলগুলো নিজ নিজ স্তরের প্রতিপক্ষের সঙ্গে হোম ও অ্যাওয়ে ভিত্তিতে খেলবে। সেই সিরিজের ফল ও পয়েন্টের মাধ্যমে নির্ধারিত হবে র্যাঙ্কিংয়ে দলগুলোর অবস্থান। দুই বছরের চক্রে একটি লিগ শেষ হবে।
৬. দুটি স্তরেই থাকবে উত্তরণ ও অবনমন। দুই বছর শেষ হওয়ার পর সবগুলো দেশ যখন হোম ও অ্যাওয়ে ভিত্তিতে সবার সঙ্গে খেলে ফেলবে; এর ভিত্তিতে শীর্ষে থাকা দলটি হবে চ্যাম্পিয়ন। র্যাঙ্কিংয়ের সব শেষের দলটির নেমে যাবে দ্বিতীয় স্তরে। দ্বিতীয় স্তরের শীর্ষে থাকা দলটি উঠে আসবে প্রথম স্তরে। দুই বছর পরপর এই উত্তরণ ও অবনমন চলবে।
৭. টেস্ট ও ওয়ানডে লিগের বাইরে দলগুলো পারস্পরিক আলোচনার ভিত্তিতে বাড়তি সিরিজ ও ম্যাচ খেলতে পারবে।
৮. দুই স্তরের টেস্ট চালু হয়ে গেলে তাই বাংলাদেশের বড় দলগুলোর বিপক্ষে টেস্ট খেলার সম্ভাবনা কমে যাবে। তবে একেবারেই শীর্ষ দলগুলোর সঙ্গে টেস্ট যে খেলতে পারবে না, তা কিন্তু নয়। তবে তা নির্ধারিত হবে অন্য দেশের বোর্ডগুলোর সঙ্গে বিসিবির আলোচনার ভিত্তিতে।
bdnews64 বাংলাভাষায় প্রকাশিত দেশের সর্ববৃহৎ সংবাদ পোর্টাল