ব্রেক্সিটের পর স্বাধীনতার দাবি স্কটল্যান্ডের

গণভোটের রায়ে যুক্তরাজ্যের ইউরোপীয় ইউনিয়ন ত্যাগের ফলে অস্থিতিশীল হয়ে পড়েছে গোটা যুক্তরাজ্যের অর্থনীতি ও রাজনীতি। ইউরোপের উপরও এর ব্যাপক প্রভাব রয়েছে। ভোটের ফলাফল প্রকাশের সাথে সাথেই যুক্তরাজ্যের ভেতরেই শুরু হয়েছে বিভক্তি। যুক্তরাজ্য বিভক্ত রাজ্যে পরিণত হওয়ার আশংকা উঁকি দিচ্ছে।

বৃহস্পতিবার (২৩ জুন) অনুষ্ঠিত ঐতিহাসিক গণভোটের ফলাফলে ৫২ শতাংশ ত্যাগের পক্ষে ভোট দিয়েছে, থাকার পক্ষে ভোট পড়েছে ৪৮ শতাংশ।

বর্তমানে ব্রিটেনের সামনে রয়েছে টিকে থাকার লড়াই। কারণ স্কটল্যান্ড ৬২ শতাংশ ভোট দিয়েছে ইইউ’তে থাকার। আয়ারল্যান্ডেও একই চিত্র। কাজেই তারা যুক্তরাজ্যের সাথে থাকবে কি না সেটা নিয়ে শুরু হয়েছে দ্বন্দ্ব।

স্কটল্যান্ডের মুখ্যমন্ত্রী নিকোলা স্টারজেন ইতিমধ্যে বলে ফেলেছেন, স্কটল্যান্ডের স্বাধীনতার জন্য আরেকটি গণভোট হবে কিনা সেই চিন্তাই এখন মুখ্য বিষয়। সেটা হওয়ার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি।

তিনি আরও বলেছেন, ‘ইইউ ত্যাগে সম্মতি না দিয়েও স্কটল্যান্ডকে সেটা মেনে নিতে হয়েছে। এটা অগণতান্ত্রিক। সরকার এখন আরেকটি গণভোটের জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছে।’

এদিকে গণভোটে ব্রিটেনের জনগণ ইউরোপীয় ইউনিয়ন (ইইউ) থেকে বেরিয়ে যাওয়ার পক্ষে রায় দেয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন দেশটির প্রধানমন্ত্রী ডেভিড ক্যামেরন। আগামী অক্টোবরে তিনি দায়িত্ব ছাড়বেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *