বিডি নিউজ ৬৪: ইজারা চুক্তি ভঙ্গ করে কক্সবাজারের রামু উপজেলার চাকমারকুলে পানি উন্নয়ন বোর্ডের জমিতে অবৈধভাবে স্থায়ী অবকাঠামো নির্মাণ করেছে খোদ ইজারাদার। এমনকি ইজারা চুক্তির সময়সীমা শেষ হলেও এখনো রাজস্ববিহীন সরকারি সম্পত্তি ভোগ করছেন কথিত ইজারাদার কক্সবাজার সদরের পিএমখালী মহসনীয়াপাড়া এলাকার বাচা মিয়ার ছেলে নুরুল আজিম।
সরকারি জমিতে বিনা অনুমতিতে অবৈধভাবে পাকা অবকাঠামো নির্মাণ বন্ধ রাখতে ওই ইজারাদারকে পানি উন্নয়ন বোর্ড চিঠি দিলেও বাস্তবে তার কোনো কার্যকারিতা নেই।
জানা গেছে, রামু উপজেলার চাকমারকুল মৌজায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের অধিগ্রহণকৃত প্রায় ২.৪০ একর জলাশয় সরকারি নীতি মোতাবেক পাঁচ বছরের জন্য ইজারা দেওয়া হয় নুরুল আজিমকে। গত ২৩ জানুয়ারি পাঁচ বছরের ইজারা চুক্তির মেয়াদকাল শেষ হয়ে যায়। ইজারা চুক্তির মেয়াদ শেষ হলেও এখনো বহাল রয়েছেন ওই ইজারাদার। এ ছাড়া সরকারি এ জমিতে শর্ত ভঙ্গ করে নির্মাণ করা হয়েছে অবৈধভাবে অবকাঠামো। অভিযোগ উঠেছে, পানি উন্নয়ন বোর্ডের জমিতে অবৈধ অবকাঠামো নির্মাণের সুযোগ নিয়ে বর্তমানে সরকারি জমি আত্মসাতের পাঁয়তারা করছে একটি মহল।
এ ছাড়া ইজারা চুক্তির মেয়াদ শেষ হওয়ায় সম্প্রতি শফিকুল ইসলাম নামের এক ব্যক্তি পানি উন্নয়ন বোর্ডের জমিটি ইজারা পাওয়ার জন্য আবেদন করেছেন। আবেদনে সুপারিশ করেছেন পানিসম্পদমন্ত্রী আনিসুল ইসলাম মাহমুদ, পেকুয়া-চকরিয়ার সংসদ সদস্য মোহাম্মদ ইলিয়াছ, মহেশখালী-কুতুবদিয়ার সংসদ সদস্য আশেক উল্লাহ রফিক, নারী সংসদ সদস্য খোরশেদ আরা হক এবং রামু উপজেলা চেয়ারম্যান রিয়াজ উল আলম।
এ বিষয়ে কক্সবাজার পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ সবিবুর রহমান জানান, ইজারাদার নুরুল আজিম সরকারি জমিতে চুক্তি ভঙ্গ করে অবকাঠানো নির্মাণ করেছেন- এটা সত্য। তার এ নির্মাণ কাজ বন্ধ করার জন্য পানি উন্নয়ন বোর্ড সম্প্রতি ইজারাদারকে চিঠি দিয়েছে। নির্বাহী প্রকৌশলী আরো বলেন, “ইজারা বাতিল করে সরকারি সম্পত্তি অবৈধভাবে জবরদখল করায় তার বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। অন্যদিকে, শফিকুল ইসলাম নামের স্থানীয় এক ব্যক্তির ওই জলাশয় ইজারা পাওয়ার জন্য আবেদন করার কথাও স্বীকার করেন তিনি।
bdnews64 বাংলাভাষায় প্রকাশিত দেশের সর্ববৃহৎ সংবাদ পোর্টাল