তার শরীরের সমস্ত অঙ্গ মরে যাওয়ার পরও পাক্কা ৩০ মিনিট ধরে সচল ছিল তার হৃদপিণ্ড। এটি সাধারণত দেখা যায় না। মুষ্টিযোদ্ধা গ্রেটেস্ট আলীর মৃত্যু সম্পর্কে ফেসবুকে এ তথ্য জানিয়েছেন তার মেয়ে হানা আলী।
মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৪ বছর। তার পরিবারের সদস্যরা বলছেন, তিনি সেপটিক শকে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন। গত ৩২ বছর ধরেই তিনি পারকিসসন রোগে ভুগছিলেন।
গত বুধবার শ্বাসকষ্ট জনিত সমস্যায় আলীকে যুক্তরাষ্ট্রের আরিজোনা অঙ্গরাজ্যের ফিনিক্স হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানেই শুক্রবার স্থানীয় সময় রাত ৯টা ১০ মিনিটে শেষনিঃশ্বাস ত্যাগ করেন তিনবারের হেভিওয়েট চ্যাম্পিয়ন ও বিশ্বের ‘গ্রেটেস্ট’ ক্রিড়াবিদ ও মানবাধিকার প্রতিষ্ঠার এই সংগ্রামী নেতা। এই মহান মানবের জীবনের শেষ মুহূর্তের বর্ণনা দিতে গিয়ে তার মেয়ে হানা আলী বলেছেন,‘তার মৃত্যুশয্যায় আমাদের পরিবারের সব সদস্য হাজির ছিলাম। আমরা স্পষ্ট বুঝতে পারছিলাম তিনি আমাদের ছেড়ে চিরজীবনের জন্য চলে যাচ্ছেন। আমরা তাকে জড়িয়ে ধরেছি, চুমু খেয়েছি। তার কানের কাছে সারাক্ষণ কলেমা ও নানা দোয়া দুরুদ পড়ছিলাম। তখন তার শরীরের সমস্ত অঙ্গ স্থির হয়ে গেছে। কেবল বেঁচে ছিল তার আত্মা।’ শারীরিকভাবে তিনি মরে গেলেও তার আত্মা সচল ছিল আরো ৩০ মিনিট ধরে। এ ধরনের ঘটনা এর আগে দেখা যায়নি। হানা আলী এ ঘটনাকে তার আত্মা ও ইচ্ছাশক্তির অকাট্য প্রমান হিসেবে উল্লেখ করেছেন (“true testament to the strength of his spirit and will)।
bdnews64 বাংলাভাষায় প্রকাশিত দেশের সর্ববৃহৎ সংবাদ পোর্টাল